কৃষি ও বৃক্ষ মেলার গুরুত্ব অপরিসীম যা নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. কৃষি প্রযুক্তি ও বৃক্ষ সম্বন্ধে জনগণকে অবহিত করা।
২. বৃক্ষ রোপণ ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা।
৩. আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে পরিবেশে সচেতন করা।
৪. বৃক্ষ ও কৃষির অবদান উপস্থাপন করা।
৫. বৃক্ষ ও কৃষির নতুন কোন বিষয় জানানো।
৬. বৃক্ষ ও কৃষি ক্ষেত্রে আরো বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করা।
৭. বৃক্ষ ও কৃষির প্রতি মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি করা।
৮. নতুন উদ্ভাবিত বৃক্ষ ও ফসলের জাত প্রদর্শন করা।
৯. উন্নত যন্ত্রপাতির ব্যবহার ও তৈরি সম্বন্ধে বাস্তব জ্ঞান দেয়া।
১০. নতুন উদ্ভাবিত গরু, হাঁসমুরগি ও মাছের জাত ও চাষ পদ্ধতি প্রদর্শন করা।
১১. গবাদি প্রাণীর উন্নত জাত, কৃত্রিম প্রজনন, পালন পদ্ধতি প্রদর্শন করা।
১২. মেলা সম্পূর্ণ সেবা ও প্রচার প্রসারমূলক উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।
১৩. কৃষি ও বৃক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাজে স্পৃহা হয়।
১৪. সাধারণ মানুষ কৃষি ও বৃক্ষ মেলার বিভিন্ন ষ্টল ঘুরে সবুজের ছোঁয়া পায় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভিডিও চিত্র উপভোগ করে বিনোদনের সুযোগ পায়।
১৫. কৃষি ও বৃক্ষ উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করে ব্যবসায়িক মনোবল দৃঢ় হয়।
১৬. সর্বোপরি বৃক্ষ ও কৃষির প্রচার, প্রসার, উন্নয়ন তথা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা পালন করছে।
১৭. বৃক্ষ ও কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি পাওয়া যায়।
১৮. বৃক্ষ ও কৃষি বিষয়ে মানুষের জ্ঞান অর্জন হয়।
১৯. বৃক্ষ ও কৃষির তথ্য ও প্রযুক্তি মানুষের কাছে পৌছায়।
২০. বিভিন্ন বনায়নের মডেল সম্বন্ধে ধারণা দেয়া।
২১. ভেষজ বৃক্ষের পরিচিতি ও ব্যবহার সম্বন্ধে জানানো।
২২. কলমের চারা উৎপাদন ও উপযোগিতা সম্বন্ধে অবগত করা।
২৩. তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান বাস্তবায়ন করা।
২৪. বিভিন্ন বৃক্ষের চারা বিক্রি করে লাভবান হয়।