গলদা চিংড়ির অর্থনৈতিক গুরুত্ব-
১. চিংড়িকে 'হোয়াইট গোল্ড' বা সাদা সোনা বলা হয়। কারণ চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে। প্রতি বছরে ১০ হাজার টনেরও বেশি গলদা চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। চিংড়ি রপ্তানিতে গলদার অবদান বর্তমানে ২৩%।
২. গলদা চিংড়ি চাষ খুব লাভজনক। ৪-৫ মাসের মধ্যে প্রতি একরে ধানক্ষেতে ৪০০-৫০০ কেজি, পুকুর বা ঘেরে ৭০০-১০০০ কেজি চিংড়ি উৎপাদন হয়। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা হিসেবে এর মূল্য দাঁড়ায় ধানক্ষেতে ২লাখ থেকে ২.৫ লাখ টাকা, পুকুরে বা ঘেরে ৩.৫ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা। যা অন্য কোন ফসলেই এত আয় সম্ভব না।
৩. ধানক্ষেতে ও ঘেরে চাষের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে ধান ও শাকসবজি পাওয়া যায়।
৪. রোগবালাই দ্বারা কম আক্রান্ত হয় বলে ঝুঁকিও কম।